বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

কী ভাবে ফ্রিতে ওয়েবসাইট/ Blogger তৈরি করবেন/ ব্লগ থেকে আয়:-


কী ভাবে ফ্রিতে ওয়েবসাইট, Blogger তৈরি করবেন/ ব্লগ থেকে আয়:-


১। ওয়েবসাইট তৈরি করতে প্রথমে আপনার একটি জি-মেইল একাউন্ট থাকতে হবে। অবশ্যই জি-মেইল টি সঠিক তথ্য দিয়ে তৈরি করবেন। এতে করে আপনার ওয়েবসাইটে Google Adsence পেতে প্রবলেম হবে না। 

২। তারপর BLOGGER . COM এ যেতে হবে।

৩। ‍SIGN IN  এ গিয়ে আপনার জি – মেইল দিয়ে লগ ইন করতে হবে। 

৪। CREATE A NEW BLOGGER এ যেতে হবে। এখানে আপনার সাইট TITTLE/ ‍ADDRESS  দিতে হবে।  অবশ্যই ‍ADDRESS টি এমন হতে হবে। EXP- example . blogspot . com দিয়ে ব্লগের adrees দিযে যে কোন একটি theme  সিলেক্ট করে create blog করতে হবে।

এই ভাবে আপনার ব্লগ/Website তৈরি করতে পারবেন।

বি:দ্র: একটি জি-মেইল একাউন্ট দিয়ে সর্বোচ্চ ৯৯ টি ব্লগ/Website তৈরি করতে পারবেন।

·       একটি ব্লগার


ব্লগ থেকে আয়;         




যিনি কখনো ব্লগ পরিচালনা করেননি তার মনে হতে পারে ব্লগ থেকে আয় বিষয়টিকে সহজ আয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত না। ব্লগ তৈরি করা, পরিচালনা করার জন্য অনেক কিছু জানতে হয়। তাদের আশ্বস্ত করে জানাতে পারি , আগের কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া সরাসরি ব্লগ তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। ফেসবুক, টুইটার যদি ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে ব্লগ ব্যবহার করতে না পারার কোন কারন নেয়। এই জন্য এক লাইন কোডো লিখতে হবে না।
অবশ্যেই এই কথায় অর্থ এই ধরে নিবেন না , যারা ব্লগার তাদের HTML কিছু শিখতে হয় না।  এই কথার অর্থ আপনি যদি HTML না জানুন তাহলে ব্লগ তৈরি এবং পরিচালনা করতে পারেন, কিছুটা শিখে ভালভাবে করতে পারেন। আর ভালভাবে শিখে আরও উচু মানের কাজ করতে পারেন। েএমকি ফ্রিলান্স কাজে ব্লগ / ওয়েবসাইট তৈরির কাজ করতে পারেন। আগে উল্লেখ করা হয়েছে একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করে হাজার ডলার পাওয়া যায়। ফেসবুক, টুইটার সাইটে যেমন পরিচিত বর্ণনা করা প্রয়োজন হয় না, তেমনি সাধারণ ভাবে পরিচিত গুগল এর BLOGSPOT পরিচিত প্রয়োজন হয় না। ইংরেজিকে যদি ভয় পান তাহলে ও কোন সমস্যা নেই। ব্লগার কাজ গুলি বাংলায় ব্যবহার করতে পারেন। ব্লগার ব্লগ তৈরির বিষয়টি এমন, তিনটি ক্লিক করে ব্লগ তৈরি । তাদের সাইটে গিয়ে ব্লগে কি নাম দিতে চান, কোন বিষয়ে ব্লগ করতে চান ইত্যাদি লিখে দিন, পছন্দ মতো ডিজাইন সিলেক্ট করুন, সাথে সাথে ব্লগ তৈরি । এরপর সেখানে লিখা, ছবি , ভিডিও, যা ইচ্ছা যোগ করতে থাকুন। আপনাকে শুরুতে নিখুত ব্লগ তৈরি করতে হবে এমন কোন কথা নেয়। ব্লগের যেকোন কিছু যে কোন সময় পরিবর্তন করা যায়। কাজেই কাজ শুরু করে একটু একটু করে উন্নত করতে পারেন। ব্লগ বিষয়টিকে এতটা গুরুত্ব কেন দেওয়া হয়েছে সে কথা একবার সংক্ষেপে উল্লেখ করা যাক:
১. ব্লগ কারো কাছে শখের বিষয়। ওয়েব এবং ব্লগ শব্দ দুটিকে এক সাথে ব্লগ শব্দটি তৈরি। কাজেই একে অনলাইন ডায়েরি হিসেবে কল্পনা করতে পারেন। ফেসবুক/ টুইটার এ যেভাবে অন্যদের সাথে যোগাযোগ করেন সে ভাবে নিজের ব্ক্তব্য বা পছন্দের বিষয় অন্যদের সামনে তুলে ধরতে পারেন এর মাধ্যমে। কারো কাছে ব্লগ পুরোপুরি পেশা, আয়ের মূল উৎস।
২. ফেসবুক বা টুইটার এর মতো অল্প লিখার সীমাবদ্ধতা ব্লগে নেই। যত বড় ইচ্ছা লিখতে পারেন, ইচ্ছামতো ছবি/ভিডিও আপলোড করতে পারেন।
৩. ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রচার করে নিজের ব্যবসার প্রচার যেমন করতে পারেন তেমনি অন্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করে টাকা আয় করতে পারেন। প্রায়েই সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং অধিকাংশ ফ্রিলান্সার ব্লগ ব্যবহার করেন। যে ওয়েবসাইট গুলি ভিজিট করেন সেগুলি দিকে একবার দৃষ্টি দিলে দেখবেন অনেক সাইটে তথ্যের চেয়েও বিজ্ঞাপন বেশি। প্রতিটি বিজ্ঞাপন থেকে তারা টাকা পান।
৪. গুগল এডস্যান্স ব্যবহার করে আয়কে মূল লক্ষ্য করে ব্লগ তৈরি উদাহরণ শেষ নেই। শুধুমাত্র এডস্যান্স থেকে বছরে লক্ষ ডলার আয়ের উদাহরণ বহু রয়েছে।
৫. এপিলিয়েশন ব্যবহার করে আয়ের জন্য ব্লগ আদর্শ। অনেকে কাছে এই ভাবে আয় প্রদান উৎস্য।

বিনামুল্যে ব্লগ তৈরির প্রচলিত ব্যবস্থাঃ
১. ব্লগার / ব্লগসপট ব্লগের জন্য খরচ না করে আয় করতে চাইলে ব্লগার প্রথম পছন্দ হতে পারে। এর পেছনে রয়েছে গুগল। তারা সার্চ ইন্জিনের ক্ষেত্রে যেমন অপ্রতিদন্ধি তেমনি ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক এডস্যাসন্স তাদের হাতে। ব্লগার  ব্যবহার করা সহজ এই কথা আগে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্লগার এর সবচেয়ে বড় সুবিধা বিনামুল্যে এর সেবা বলে এতে কোন সীমাবদ্ধতা রাখা হয়নি। আপনি ইচ্ছামতো বিষয়ে ব্লগ তৈরি করতে পারেন, নিজস্ব কোড ব্যবহার করতে পারেন, বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেই তাদের নিজস্ব ডিজাইন সুন্দর না বলে উল্লেখ করেন। এই বিষয়ে আসলেই কোন সীমাবদ্ধতা নেই। তাই ইন্টারনেট এ বিনামুল্যে বহু টেমপ্লেট পাওয়া যায়, সেখান থেকে পছন্দ মতো টেমপ্লেট ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। এমনকি নিজের পছন্দ মতো তৈরি করে নিতে পারেন।
২. উইবলি ব্লগার / ওয়ার্ডপ্রেসের মতো জনপ্রিয় না হল ও কিছু সুবিধার কারণে অনেকেই পছন্দ করেন। এরা বিনামুল্যে ব্লগে এডস্যান্স ব্যবহারের সুযোগ দেই। যদি শর্তসাপেক্ষে , শর্ত হচ্ছে এডস্যান্স থেকে যা আয় হবে তার অর্ধেক তারা রেখে দিবে। এর ব্যবহারও ব্লগার  থেকে কিছুটা জটিল । তার পর ও অনেকে উইবলি পছন্দ করেন তাদের পেশাদার চেহারা ব্লগের কারণ। বিনামুল্যে চমৎকার টেমপ্লেট রয়েছে। টাকা দিয়ে আরও বেশি ব্যবাহার  এর সুবিধা নেওয়া যায়।
৩. টুম্বলার তুলনা মূলক নতুন হলে ও দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে অনেকের কাছে। বিশেষ করে যারা ছবি ভিত্তিক ব্লগ তৈরি করেন তাদের খুব প্রিয়। নতুন করে কিছু করার জন্যে এই দিকে দৃষ্টি দেওয়া যেতে পারে।
৪. কেউ কেউ বলেই ওয়ার্ডপ্রেস এর নাম শুরুতে রাখা প্রয়োজন ছিল। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই ব্লগিং ব্যবস্থা । বিনা্মুল্যে হলেও্র যেকারণে একে শুরুতে রাখা হয়নি তা হচ্ছে সীমাবদ্ধতা । বিনামুল্যে ব্লগে বিজ্ঞাপন দেওয়া সুযোগ নেই। কোড পরিবর্তন সুযোগ দেওয়া হয় না। এখান থেকে আয়ও করতে পারেন না। শখিন ব্লগের জন্য এর তুলনা নেই। ওয়ার্ডপ্রেস কন্টেন্ট মেনেজমেন্ট সিস্টেম। ব্লগ থেকে শুরু করে যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়। নিওয়ার্ক ট্রামস সহ বিশ্বের বহু খেত নামা ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে তৈরি। যারা ফ্রিলান্সার হিসেবে ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজ করতে আগ্রহী তাদের জন্য অপরিহার‌্য ওয়ার্ডপ্রেস। কিন্তু এখানে কথা হচ্ছে আয়ের জন্য ব্লগিং সেহেতু এই টা আপনার কাজে আসে না। বরংএইটুকু মনে রাখতে পারেন, বিনামুল্যে শুরু করে কোন একসময় সার্ভার ভাড়া করে সেখানে সরিয়ে নিজের করে নিতে পারেন। নিজস্ব ডুমেইন /হোস্টিং ব্যবহার সময় কোন সীমাবদ্ধতা নেই।
৫. JUX. COM , WIX .COM, PENZU. COM, PIXELPOST. COM, ইত্যাদি আরও  কিছু ব্যবস্থা রয়েছে বিনামুল্যে সেগুলি আলোচনায় এনে বিষয়টিকে জটিল করার প্রয়োজন নাই। বরং একে ভারে সংক্ষিপ্ত করে জন্য বলা যেতে পারে। বিনামুল্য ব্লগ তৈরি এবং সেটা ব্যবহার করে টাকা আয়ের উৎস ব্লগার শীর্ষে।  অন্তত ব্লগার দিয়ে শুরু করুন। যদি মনে করেন বিনামুল্যে হোস্টিং এর কারনে নিরাপদ বোধ করছেন না, গুগল কোন কারণে সেবা বন্ধ করতে পারে ব্লগ বন্ধ করতে পারে তাহলে কোন একসময় একে অন্য জায়গাই সরিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। এমনকি একে ওুয়ার্ডপ্রেস ব্লগে কনভার্ট করে নিতে পারেন সেটা অত্যন্ত সহজ কাজ। নিজস্ব ডোমেইন/হোস্টিং ব্যবহার সম্পর্কে এখানে দুই কথা বলা প্রয়োজন। বিনামু্ল্য সাইটে সবসময় অন্যের ইচ্চার উপর নির্ভর করতে হয়। নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতাগুলি ছাড়াও কোন কারণে তারা আপনার ব্লগের বিপক্ষে গেলে আপনার সাইট মুছে যেতে পারে । গুগল এই জন্য কোন শতর্ক বানী জানাই না। তাদের অপছন্দের কোড সরাসরি মুচে দেয়। নিজস্ব ডোমেইন/হোস্টিং আপনাকে প্রতি বছর টাকা খরচ করতে হয়। আপনার সাইটের নামের জন্য যেমন প্রতি বছর টাকা দিতে হয় তেমনি  আপনার যে সার্ভারের রাখবেন সেখানে জায়গায় অনুযায়ী ভাড়া দিতে হয়। বেশি জায়গা ব্যবহার করলে বেশি টাকা দিতে হয়। আপনি যেহেতু টাকা দিয়ে সেবা কিনেছেন সেহেতু কেউ আপনার সাইট বন্ধ করার অধিকার রাখবে না। বন্ধ হলে আপনি আইনুগত ব্যবস্থা নিতে পারেন।  













ইন্টারনেটে আয়ঃ শুরু করুন এখনই
এখনই ইন্টারটে আয় শুরু করতে চান? সম্ভব। সরাসরি কম্পিউটারের সামনে বসে কয়েক মিনিটেই টাকা আয় করতে পারেন। টাকার পরিমান কিংবা কখন সেই টাকা হাতে পাবেন সে বিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, আয় নিশ্চিত। ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয়ের জন্য বিশেষ কোন বিষয়ে দক্ষতা প্রয়োজন হয়। সেজন্য প্রয়োজন হয় দীর্ঘ প্রস্ততি। এরপর নির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করা। সেই পর‌্যায়ে যাওয়ার আগেই যদি কিন্তু আয় করতে চান তাহলে এই পদ্ধতিগুলি কাজে লাগাতে পারেন। ইন্টা্রনেট থেকে আয় করা যায় একথা বো্ঝা্র জন্য, কিংবা দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট ব্যবহারে অভ্যস্থ হওয়ার জন্য এগুলি কার‌্যকর।

সমস্যার কথাও আগেই জানিয়ে রাখা ভাল। এভাবে আয়ের পরিমানর অত্যন্ত কম। একে কখনোই পেশা হিসেবেধরে নিতে পারেন না। বরং অন্য আয়ের সাথে কিছুটা বাড়তি আয় বিবেচনা করতে পারেন।

শুরু করবেন যেভাবেঃ
শুরু করার জন্য আপনার প্রাথমিক কিছু বিষয় প্রয়োজন। অন্তত ব্যবহারযোগ্য একটি কম্পিউটার/মোবাইল এবং ইন্টারনেট সংযোগ। কাজের জন্য কিছুটা সময়  এবং জায়গা। যে কাজই করুন,মনোযোগ দিয়ে করা ভাল। নিজের বাড়িতে কাজ করার সময় অন্যারা যেন বিরক্ত না করে সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে। েএর পর আয়ের জন্য কাজ করুন।
১. ইমেইল একাউন্ট না থাকলে তৈরি করে নিন
(ইন্টারনেট মাধ্যমে যে কোন যায়গায় কাজের জন্য যোগাযোগের মাধ্যম ই-মেইল। কোথাও সদস্য হতে হলে অন্য কিছু প্রয়োজন না হোক, অন্তত ইমেইল এড্রেস প্রয়োজন হবে। যদি ইমেইল একাউন্ট না থাকে তাহলে তৈরি করে নিন।
বিনামুল্যের ইমেইল ব্যবস্থার জন্য মাইক্রোসফট, গুগল এবং ইয়াহু জনপ্রিয়। কাজের জন্য অনেকে নির্দিষ্ট করে গুগল ব্যবহারের পরামর্শ দেন। সেটা ব্যবহার করাই ভাল।
যদি আগে থেকে অন্য ই-মেইল ব্যবাহার করেন তাহলেও কাজের জন্য পৃথক আরেকটি একাউন্ট তৈরী করে নিতে পারেন। )

২.  অনলাইন ব্যাংকিক একাউন্ট তৈরী করুন।
(অনলাইনে কাজ করে টাকা পাওয়ার জন্য অনেকগুলি পদ্ধতি রয়েছে। সহজ পদ্ধতি হচ্ছে ই-মেইল ভিত্তিক ব্যাংকিং একাউন্ট ব্যবহার করা। আপনারা পেপাল, মাস্টারকার্ড, পেওনিয়ার, ব্যাংকিক , ইত্যাদি একাউন্ট খুলে নিবেন।

৩.  নির্দিষ্ট সাইটে দিয়ে সদস্য হোন।
যে  সাইটে কাজ করবেন সেই সাইট সম্পর্কে ভাল ভাবে জানবেন। তার পর উক্ত সাইটে সদস্য হবেন।

৪.  কাজ করুন।
 (আপনি যেকানে সদস্য হয়েছেন তাদের সাইটটি ভালভাবে দেখুন, কাজের নির্দেশগুলি ভালভাবে পড়ে বুঝুন। এরপর আয় করার জন্য যা যা করতে বলেছে সেগুলি করুন।
প্রতিটি সাইটের কাজের ধরন ভিন্ন ভিন্ন। সেকারনে প্রতিটি সাইটের নিজস্ব নির্দেশ পড়া জরুরি।

সার্ভে থেকে আয়।
বিভিন্ন কারনে মানুষের সার্ভে বা জরিপ করা প্রয়োজন হয়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের পন্য সম্পর্কে জনমত যাই করে যেমন সিদ্ধান্ত নেন তেমনি বিভিন্ন বিষয়ে গবেষনার জন্য জনমত যাচাই প্রয়োজন হয়। এক দেশ থেকে অন্য দেশে জনমত যাচােই করা সম্ভব ইন্টারনেট মাধ্যমে, সেকারনে অনলাইন সারেআভ একটি প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিনত হয়েছে। এধরনের সার্ভেতে অংশ নেয়ার জন্য টাকার প্রয়োজন।
সার্ভে বিষয়টি তুলনামুলক ভাবে সহজ। প্রতিটি সার্ভে জন্য ১থেকে ১০০ ডলার পর‌্যন্ত আয় হতে পারে।

সার্ভে থেকে আয় করার জন্য সাধারন কিছু নিয়ম মেনে রাখা জরুরীঃ

১.  সব বয়সের জন্য না।
১৮ বৎসরেরে উপরের যে কেউ সার্ভে অংশগ্রহন করতে পারবেন।

২.  সব সার্ভে সকলের জন্য না।

৩. সার্ভে সব দেশের জন্য না।
অনেকে সার্ভেতে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন না। কারনটা অনুমেয়। কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যদি আমেরিকার বাজারের জন্য জরিপ করেন সেখানে বাংলাদেশে অবস্থানকারীর মতামতের গুরুত্ব থাকে না। শুরুতে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

৪.  সকলের টাকা দেয়ার পদ্ধতি একরকম না।
সার্ভে করার জন্য জনপ্রিয় একটি সাইট WWW. MICROWORKER. COM. বাংলাদেশ থেকে অনেকেই এটা ব্যবহার করেন।
এটা ব্যবহার করার জন্য যা যা প্রয়োজন।
১.  তাদের সাইটে গিয়ে পিটিসি সাইটের মত ফরম পুরন করে সদস্য হোন।
২.  নিজেকর একাউন্টে ডুকুন।
৩.  সেই মুহুর্তে যে কাজগুলি রয়েছে সেগুলির কিটি তালিকা পাবেন। কোন কাজের জন কতটা সময় লাগতে পারে, আনাকে কত দেয়া হবে সেসব তথ্য কাজের পাশে দেয়া থাকে। যেমন ইউটিউব ভিডিুওতে ভোট দেয়ার জন্য ১মিনিট, পাবেন ১০ সেন্ট। ইনসুরেন্স ফরম পুরন করতে ৫ মিনিট, পাবেন ১.৫০ ডলার।
৪. যে কাজটি করতে চান সেই কাজের লিংকে ক্লিক করুন। কাজের বিস্তকরিত বর্ণনা পাবেন। পেজটি ওপেন রাখুন।
৫. নির্দেশ অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন করুন।
৬. কাজশেষে একটি কোড পাবেন। সত্যিসত্যি কাজ করেছেন সেটা নিশ্চিত করার জন্য এই ব্যবস্থা। কোডটি কপি করুন। যে পেজে কাজের বর্ণনা রয়েছে সেখানে নির্দিষ্ট যায়গায় পেষ্ট করে পাঠিয়ে দিন। আপনার একাউন্ট উল্লেখিত টাকা জমা হবে।


No comments

Powered by Blogger.